• ঢাকা

  •  শুক্রবার, মে ২৪, ২০২৪

জেলার খবর

রাতে মেয়ে নিয়ে ঢুকতে না দেওয়ায় দোকান ভাংচুরের অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

পাবনা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ০৯:৩৭, ৮ জুন ২০২৩

রাতে মেয়ে নিয়ে ঢুকতে না দেওয়ায় দোকান ভাংচুরের অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

পাবনা: মেয়ে নিয়ে রাতে দোকানের টঙে ঢুকতে না দেওয়ায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে চায়ের দোকান ভাংচুর ও  হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে বুধবার (৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ফাতেমা স্টোরের মালিক ভুক্তভোগী বাচ্চু মিয়া।

গত সোমবার (৫ জুন) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রেইন একটি মেয়েকে সাথে নিয়ে ফাতেমা স্টোর দোকানের পাশে থাকা ভাসমান টঙে প্রবেশ করতে চান। এ সময় টঙে বসে থাকা কয়েকজন স্থানীয় গ্রাহক রাত হয়ে গেছে বলে মেয়ে নিয়ে টঙে না আসার জন্য অনুরোধ করেন।

এতে মেহেদী হাসান রেইন রাগান্বিত হয়ে কাস্টমারদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন এবং দোকান এখানে কীভাবে থাকে সেটা দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি হল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন কর্মী নিয়ে এসে দোকানের ওই টঙ ভাঙচুর করেন। 

একই সময়ে সে দোকানের ক্যারমবোর্ডের গুটি নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় সে এবং তার সাথে থাকা ছাত্রলীগ কর্মীরা এখানে দোকান কীভাবে চলে তা দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাচ্চু মিয়া। সুষ্ঠু বিচার এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি। 

বাচ্চু মিয়া আরো অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কর্মীরা এর আগেও বিভিন্ন কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থাকা দোকানিদের মারধর করেছেন এবং তাদেও সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলেও অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান রেইনের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। 

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি ফরিদুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে ওই দোকানদারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। তাদের নিয়ে বসে আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কামাল হোসেন বলেন, বিকেলে আমি একটা অভিযোগ পেয়েছি। তারপর আমি অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী দুইজনকেই আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) আমার অফিসে ডেকেছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে সত্য-মিথ্যা যাচাই করে ব্যবস্থা নিতে পারবো।

জুন ৮, ২০২৩

ইকবাল কবীর রনজু/এবি/

মন্তব্য করুন: