• ঢাকা

  •  শনিবার, জুন ১০, ২০২৩

ভিনদেশ

পাকিস্তানের টিভিতে নিষিদ্ধ ইমরান খান

নিউজ ডেস্ক:

 প্রকাশিত: ১২:০৭, ৬ মার্চ ২০২৩

পাকিস্তানের টিভিতে নিষিদ্ধ ইমরান খান

পাকিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বক্তৃতা বা মন্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ করেছে দেশটির মিডিয়া নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (পিইএমআরএ)।

এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ইমরান খান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।

ইমরান খান দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আদালতে তোলার অভিযোগ আনার পর এ পদক্ষেপের কথা জানা গেলো।

এর আগে ৫ মার্চ ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের প্রয়াস চালিয়ে ব্যর্থ হয় দেশটির পুলিশ।

এদিকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে লাহোরে তার বাড়ির সামনে সমবেত হন তার শত শত সমর্থক। রবিবার লাহোরের জামান পার্ক এলাকায় তার বাসভবনের বাইরে পুলিশের একটি দল অপেক্ষা করছিল তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য।

ইসলামবাদ পুলিশের এক টুইট বার্তায় জানানো হয়, ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করার জন্য লাহোর পুলিশের সহায়তার একটি অপারেশন চলছে। 

তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ইমরান খানকে গ্রেপ্তার না করেই চলে যায়।

সে সময় ইমরান খান তার বাসভবনে দলের কর্মীদের সামনে বক্তব্য রাখেন, এবং তার ডাকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ দেন।

গত সপ্তাহে আদালত একটি মামলায় ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ওই মামলাটিতে অভিযোগে বলা হয়, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় বিদেশের নেতাদের কাছ থেকে যেসব উপহার পেয়েছিলেন সেগুলোর কথা তিনি সঠিকভাবে জানাননি।

তবে, ইমরান খান মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বর্ণনা করেছেন।

ইমরান খানের রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-ইনসাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের নেতাকে গ্রেপ্তার করা হলে পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি হবে।

গত বছর পার্লামেন্টের এক ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। এগুলোর মধ্যে তার রাজনৈতিক দলের জন্য অবৈধ অর্থ সংগ্রহ এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার উস্কানি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ইমরান খান গ্রেপ্তার এড়াতে একটি মামলায় দু'সপ্তাহের জন্য জামিন পেয়েছিলেন।

গত বছর একটি বিক্ষোভ সমাবেশে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইমরান খান আহত হন। তার আইনজীবীরা এর আগে স্বাস্থ্যগত ও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তার সশরীরে আদালতে হাজির হওয়া ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে আদালতে এসব আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন গত বছর ইমরান খানকে সরকারি পদে থাকার অযোগ্য ঘোষণা করে। তার বিরুদ্ধে বিদেশি নেতাদের কাছ থেকে পাওয়া উপহারসামগ্রী এবং সেগুলো বিক্রি করে পাওয়া অর্থের কথা সঠিকভাবে না জানানোর অভিযোগ আনা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইমার খান আদালতে মামলা করেছেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

মার্চ ৬, ২০২৩

এসবিডি/এবি/

মন্তব্য করুন: