• ঢাকা

  •  রোববার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩

জীবন-যাপন

ওষুধ ছাড়া কৃমি দূর করার উপায়

অনলাইন ডেস্ক:

 প্রকাশিত: ০৯:৫৯, ১৩ জানুয়ারি ২০২৩

ওষুধ ছাড়া কৃমি দূর করার উপায়

কৃমি এক প্রকারের পরজীবী প্রাণি। সাধারণত মলমূত্র, নখের ময়লা ইত্যাদির মাধ্যমেই কৃমি শরীরে প্রবেশ করে থাকে। পানীয় জলের মাধ্যমেও কৃমির সংক্রমণ হতে পারে।

কৃমি হলে মলদ্বারে চুলকানির অনুভূতি হয়। সঙ্গে ঘন ঘন পেটে ব্যথা ও খিদে কমে যাওয়াও কৃমির লক্ষণ। শিশুদের ক্ষেত্রে আবার অনেক সময় দেখা যায় কৃমি হলে কিছুক্ষণ পর পর থুতু ফেলতে থাকে শিশু। এমনকি, কৃমির উপদ্রব বাড়লে খিমচে দেওয়া এবং কামড়ে দেওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। অনেক সময় মলের মাধ্যমেও কৃমি বেরিয়ে আসে।

অনেকেই সরাসরি কৃমির ওষুধ খান। যদি ওষুধ ছাড়াই কৃমি কমাতে চান তবে কিছু খাবার নিয়ম করে খেতে পারেন।

১) লবঙ্গ
লবঙ্গের জীবাণুনাশক গুণ রয়েছে। এক কাপ পানিতে তিন-চারটি লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই পানি সারাদিন অল্প অল্প করে পান করুন। লবঙ্গ দিয়ে ফোটানো পানি শুধু কৃমি নয়, কৃমির ডিমও নির্মূল করে।

২) নিমপাতা
কৃমি কমাতে তেতো খেতে বলেন অনেক প্রবীণ মানুষই। কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে সেই পানি পান করুন। তবে যে পাত্রে পাতাবাটা রাখবেন, সেই পাত্রে যেন বাতাস না ঢুকতে পারে।

৩) কুমড়োর বীজ:
কয়েকটি কুমড়োর বীজ হালকা করে ভেজে গুঁড়ো করে নিন। এবার সমপরিমাণ পানি ও নারকেলের দুধের মিশ্রণের মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এই পানি পান করুন। কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ।

৪) হলুদ:
কাঁচা হলুদ বেটে রস করে নিন। এক চা-চামচ হলুদের রসে সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান। আধ কাপ গরম পানিতে সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং লবণ মিশিয়েও খেতে পারেন। এক সপ্তাহ নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

এসবিডি/এবি/

মন্তব্য করুন: