• ঢাকা

  •  রোববার, এপ্রিল ২১, ২০২৪

জেলার খবর

তাড়াশে কৃষক লীগ নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

 প্রকাশিত: ১১:৪৪, ১ মে ২০২৩

তাড়াশে কৃষক লীগ নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

ছবি: সময়বিডি.কম

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃষক লীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি কৃষিবিদ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সুইট বলেন, কৃষক লীগ নেতা মনিরুল ইসলাম আমার সাথে দলীয় কর্মসূচিতে ছিলেন। ২৮ তারিখ (শুক্রবার) নওগাঁ মাজার শরীফ মসজিদে নামাজ আদায় করে তাড়াশের তালিম ইউনিয়নের কুন্দাশন গ্রামে আমরা এক সঙ্গে কৃষকদের মাঝে আউশ ধানের বিজ বিতরণ করি। মামলার বাদী নওগাঁ ইউনিয়নের নওগাঁ ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাঁরা মিয়া খন্দকার মামলার এজাহারে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে আরো তথ্য নিশ্চিত করেন সাবেক নওগাঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য মোঃ আলহাজ আলী খন্দকার। তিনি বলেন, মোঃ তাঁরা মিয়া মামলার  এজাহারে যা বলেছে তার খামার থেকে চাঁদা নিয়েছে মনিরুল ইসলাম। কিন্তু আমরা জানি খামার আছে গরু নেই, এলাকার মানুষ জানে দীর্ঘদিন যাবৎ তার খামারে কোনো প্রকার ব্যবসা নেই। 

তাড়াশ উপজেলা কৃষক লীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ নুরুল ইসলাম রাঙ্গা বলেন, ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যে ভিত্তিহীন মামলায় দেওয়া হয়েছে, কৃষক লীগের নেতা মনিরুল ইসলামকে।

ভুক্তভোগী মনিরুলের পরিবার জানান, গতমাসে শাহ শরীফ জিন্দানী মাজার শরীফে ওরস চলাকালে অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে বাদী মোঃ তাঁরা মিয়া বেশকিছু জুয়ার বোর্ড চালায়। কিন্তু এই জোয়ার বিষয়ে মনিরুল ইসলাম প্রতিবাদ করে ও প্রশাসনকে তথ্য দেয়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন জুয়ার বোর্ড ভেঙে দেয়। তাছাড়া রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ের জেরও রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে। 

এ বিষয়ে বাদী মোঃ তাঁরা মিয়ার সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটা আইনের বিষয়। আইনই দেখবে। আমার কিছু বলার নেই। 

এলাকার তথ্য সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল নওগাঁ মাজার শরীফে জুম্মার নামাজের খুদবা অবস্থায় বর্তমান এমপির আগমনে তাঁরা মিয়াসহ কিছু নেতা-কর্মী স্লোগান দিচ্ছিল, সেই মুহূর্তে নামাজি মুসল্লিরা তাদের স্লোগান বন্ধ করতে বলেন। এ কথা বলাতে স্লোগানরত তাঁরা মিয়া ও তার সাথে থাকা ব্যক্তিরা মুসল্লিদের নিয়ে কটুক্তি করে। কটুক্তি করায় মাজারে নামাজি মুসল্লিরা ওই নেতাদের প্রতি উত্তেজিত হলে বিষয়টা তাৎক্ষণিকভাবে নেতারা সমাধান করেন।
 
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার ভিত্তিতে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

মে ১, ২০২৩

মৃণাল সরকার মিলু/এবি/

মন্তব্য করুন: