• ঢাকা

  •  সোমবার, মার্চ ৪, ২০২৪

ভিনদেশ

মিশরে মেয়েদের স্কুলে মাথা ও মুখঢাকা নেকাব নিষিদ্ধ

নিউজ ডেস্ক:

 প্রকাশিত: ০৮:২২, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মিশরে মেয়েদের স্কুলে মাথা ও মুখঢাকা নেকাব নিষিদ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

মিশরে পাবলিক এবং পাবলিক স্কুলে পুরো মুখঢাকা বোরকা ও নেকাব পরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। গত সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ আদেশ জারি করেছে। এই সিদ্ধান্তে দেশের সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোতে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

মিশরের সরকারি সংবাদপত্র আখবার আল-ইউম স্কুল ইউনিফর্মের উপর নতুন ডিক্রি প্রকাশ করেছে, যা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের 'মুখ ঢেকে আসা' নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মিসরের শিক্ষামন্ত্রী রেদা হেগাজি সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দিয়েছেন। সরকার বলছে, চুল ঢেকে রাখা যাবে, তবে মুখ ঢেকে রাখা যাবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি ‘নেকাব’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। বলা হয়েছে, মুখমণ্ডল আড়াল করে রাখে এমন কোনো পোশাক আর এখন থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।

আদেশে বলা হয়েছে, মাথার নেকাব 'ঐচ্ছিক', এটি শিক্ষার্থীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। আইনি অভিভাবক ব্যতীত অন্য কেউ চাপ বা জবরদস্তি করতে পারবে না। শিক্ষার্থীকে অবশ্যই তার পছন্দ সম্পর্কে জানাতে করতে হবে।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই কার্যকর হবে সরকারের এ সিদ্ধান্ত। নতুন শিক্ষাবর্ষ শেষ হবে ২০২৪ সালের ৮ জুন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও হিজাব পরে ছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারবে। রীতি অনুযায়ী, ছাত্রীদের চুল ঢেকে রাখার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, কোনো ছাত্রী হিজাব পরবে কি পরবে না, তা যেন তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হয়। মা–বাবার সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত থাকা উচিত। ছাত্রীকে কোনো কিছু করতে যেন বাধ্য না করা হয়।

এর আগে ২০১৫ সালে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকাদের নিকাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ২০২০ সালে আদালতও সেই নিষেধাজ্ঞার সমর্থনেই রায় দিয়েছিল।

গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে আবায়া পরে সরকারি স্কুলে যেতে না পারার নতুন নিয়ম চালু করেছে ফ্রান্স। দেশটির সরকারি বিদ্যালয় ও সরকারি ভবনে যেকোনো ধরনের ধর্মীয় চিহ্নের ব্যবহারও নিষিদ্ধ। সরকারের এ সিদ্ধান্ত না মেনে আবায়া পরে আসে অনেক শিক্ষার্থী। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাদের ফেরত পাঠানো হয় বাসায়। ৬৭ শিক্ষার্থীকে (৪ সেপ্টেম্বর) বাসায় ফেরত পাঠানো হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩

এসবিডি/এবি/

মন্তব্য করুন: